কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বঙ্গবন্ধু ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে কৃষি গবেষণা

বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান স্বাধীনতা লাভের অব্যাবহতি পরেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের দিকে আমাদের সবার ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’ তিনি বলেছিলেন ‘কৃষক বাঁচাতে হবে, উৎপাদন বাড়াতে হবে তা না হলে বাংলাদেশ বাঁচতে পারবে না।’ তাঁর সেই ভবিষ্যৎ বাণীর বহিঃপ্রকাশ আজকের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সময় বিবেচনায় খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো সহজ ছিল না, কেননা, পূর্ব বাংলার খাদ্য ঘাটতি বহু আগে থেকেই বিদ্যমান ছিল। যদিও ষাটের দশকে এ দেশের কৃষি ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া লেগে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যেতে থাকে কিন্তু ১৯৭০ সালের শতাব্দীর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় এবং ধ্বংসলীলার কোন শেষ ছিল না। উপকূলে কৃষি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে যায় ফলে দেশে খাদ্য ঘাটতি আরো বেড়ে যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় কৃষি ব্যবস্থা আরো বেশি নাজুক হয়ে পড়ে কেননা নগন্য সংখ্যক কৃষক জমি চাষ করার সুযোগ পায়। ফলে বিপুল পরিমাণ খাদ্য ঘাটতির বোঝা নিয়েই দেশের স্বাধীনতার প্রাপ্তি ঘটে। বোঝার ওপর শাকের আঁটির মতো দেখা দেয় ১৯৭৪ সালের মারাত্মক বন্যা যার ফলে ফসলহানি ঘটে ও খাদ্য উৎপাদনের সুযোগও কমে যায়। ফলে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে হয়ে পড়ে। বিদেশ থেকে আমদানি করে সংকট মেটানো কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময়ে আন্তর্জাতিক সা¤্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী বাংলাদেশের ওপর খাদ্য কূটনীতি প্রয়োগ করে যার ফলে আমদানিকৃত খাদ্য সমুদ্রপথে প্রত্যাহার করে অন্যত্র চলে যায়। এরপর থেকে বঙ্গবন্ধু খাদ্য উৎপাদনের গুরুত্ব বিশেষভাবে অনুভব করে তাঁর মন্ত্রিসভা ও সদস্যদের কে যথাসাধ্য ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ফলে সে বছরই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায়। কৃষি উৎপাদন উল্ল্যেখযোগ্য পরিমাণ বাড়ে। বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল সম্পূর্ণ কৃষি ভিত্তিক। বঙ্গবন্ধুর গতিশীল ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন পরিকল্পনার জন্য সে বছর কৃষিতে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার পৌঁছেছিল ৭ শতাংশে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর পরবর্তী সামরিক সরকার সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ব্যবস্থা করেনি।


ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলায় তিনি দেখতে চেয়েছিলেন দেশের কৃষি ও কৃষকের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন এবং স্বনিভর্রতা। তাই তো বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত কৃষি ক্ষেত্রে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহে বঙ্গবন্ধু বিশেষ ভাষণ দিয়েছিলেন। সে ভাষণে তিনি কৃষি বিপ্লবের কথা বলেছিলেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন উৎসবে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘খাদ্য বলতে শুধু ধান, চাল, আটা, ময়দা আর ভুট্টাকে বোঝায় না বরং মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শাকসবজি এসবকে বোঝায়।’ সুতরাং কৃষি উন্নতি করতে হলে এসব খাদ্যশস্যের সমন্বিত উৎপাদন বাড়াতে হবে। ১৯৭২-৭৩ সালে ৫০০ কোটি টাকা উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে ১০১ কোটি টাকা শুধু কৃষি উন্নয়নের জন্য রাখা হয়েছিল। এতে তখন থেকেই কৃষির প্রতি, কৃষি উন্নয়নের প্রতি তাঁর গভীর আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। বঙ্গবন্ধু ভাবতেন সবার আগে দরকার খাদ্যের। আর খাদ্যের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। আমাদের নিজেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য আমাদেরই উৎপাদন করতে হবে। খাদ্যের নিশ্চয়তা না দিতে পারলে সব উন্নয়ন কার্যক্রম বিফলে যাবে। সেই ভাবনা থেকেই বঙ্গবন্ধু এ দেশে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রতিষ্ঠা ও কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন।


প্রাতিষ্ঠানিক কৃষি উন্নয়ন তথা কৃষি এবং কৃষকের কথা ভেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জনগণের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্তির লক্ষ্যে কৃষি উন্নয়নের বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্থাপন, সংস্কার, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, উদ্যান উন্নয়ন বোর্ড, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, ইক্ষু গবেষণা প্রতিষ্ঠান, মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনসহ অনেক নতুন প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করেন। কৃষি বিষয়ক বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো ও কার্যক্রমের আমূল পরিবর্তন ও সংস্কারের মাধ্যমে এবং প্রযুক্তিচর্চায় মেধা আকর্ষণের যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। জাতির পিতা বলেছেন, স্বাধীনতা উত্তরকালে কৃষি সেক্টরে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশ  কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল নামক একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। উক্ত কৃষি গবেষণা কাউন্সিল পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে একটি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল বর্তমানে নার্স এর শীর্ষ সংস্থা হিসেবে ১২টি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।


দেশে ধান গবেষণার গুরুত¦ অনুধাবন করেই বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে আইন পাসের মাধ্যমে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেন এবং ধানের ওপর নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বি আর ৪ (ব্রিশাইল) এবং বিনা কর্তৃক ধানের উন্নত জাত ওজঅঞঙগ ২৪ এবং ওজঅঞঙগ ৩৮ উদ্ভাবিত হয় এবং ধান উৎপাদন ব্যবস্থা শক্ত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এসব কার্যক্রমের ফলে সে সময় দেশের খাদ্য আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার কারনে ধানের উচ্চফলনশীল আধুনিক জাত উদ্ভাবন স¤ভব হয়েছে এবং অদ্যাবধি বিএআরআই কর্তৃক বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবনসহ ধানের ৯৭টি উচ্চফলনশীল জাত অবমুক্ত করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে দেশে চাহিদার অতিরিক্ত ধান উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।


একইভাবে বঙ্গবন্ধু শাসন আমলে কৃষি গবেষণাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার লক্ষ্যে ঢাকার অদূরে জয়দেবপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সিংহভাগ ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালিত হয় যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৬ সালে এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বর্তমানে বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাতসহ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে যা দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। বঙ্গবন্ধু শাসন আমলে ১৯৭৩ সালে সর্ব প্রথম গমের উচ্চফলনশীল (ঐণঠ) জাত এদেশে গবেষণার জন্য আনা হয় এবং গমের ওপর গবেষণা কাজের সূচনা করা হয়। ১৯৭৪ সালে গমের উচ্চফলনশীল জাত (ঝড়হড়ৎধ৬৪, গধীর চধশ৬৫, ঊহরধ৬৬, ঘড়ৎঃড়হড় ৬৭ ্ ঝড়হধষরশধ) মুক্ত করা হয় যার মধ্যে সোনালিকা জাতটি এদেশে গম উৎপাদনে যুগান্তকারী ভূমিকার শুভ সূচনা করেছিল। অদ্যাবধি বিএআরআই বিভিন্ন ফসলের ৫৩৯টি উচ্চফলনশীল জাতসহ ১০৪৪টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। শাকসবজি, ফলমূল, গম, তৈল বীজ ফসল এবং ডাল জাতীয় ফসলের বিভিন্ন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশে আজ বহুলাংশে খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মিটানো সম্ভব হয়েছে।


বঙ্গবন্ধুর শাসন আমলেই ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট, হর্টিকালচার উন্নয়ন বোর্ড, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তুলার ৩টি জাত (উ-৫২, উ-১০, ও উ-১২৪) ১৯৭৫ সালে উদ্ভাবন করা হয়।


কৃষকদের মাঝে কৃষি খাতে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৪ সাল থেকে কৃষি উন্নয়নে জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পুরস্কার প্রদান চালু করেন। বঙ্গবন্ধুর সময় দেশের প্রথম কৃষি ঋণ ব্যবস্থার প্রচলন করা হয়। কৃষকরা যাতে সহজভাবে ঋণ পেতে পারে এ লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে কৃষি ব্যাংক স্থাপন করা হয়। তিনি কয়েক লক্ষ কৃষকের কৃষি ঋণের সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার করেছিলেন এবং ভূমিহীন কৃষকদের মাঝে খাস জমি বিতরণ এবং সহজশর্তে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করেছিলেন। তখনকার প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতির ক্ষেত্রে কৃষির আধুনিকায়নে জাতির পিতা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সে সময়ে কৃষকদের খাদ্যশস্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু কিছু দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, যাতে কৃষক সমৃদ্ধভাবে জীবনযাপন করতে পারে। বঙ্গবন্ধু কৃষিখাতের মাঠকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বঙ্গবন্ধু উন্নত এবং স্বল্পমেয়াদি চাষাবাদ পদ্ধতি, মানসম্মত বীজ সরবরাহ, সেচ এবং অন্য কৃষি উপকরণ সহযোগিতার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। প্রান্তিক চাষিদের কৃষিঋণ মওকুফ, তাদের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার এবং ভূমিহীনদের মাঝে খাস জামি বণ্টনের ব্যবস্থা করেন।


সর্বোপরি তাঁরই নীতি অনুসরণ করে তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে পথে এগোচ্ছেন এবং কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন। স্বাধীনতার পরে ৪৫ বছরে প্রায় ৩০ শতাংশ আবাদি ভূমি কমে যাওয়া সত্ত্বেও ধানসহ খাদ্যশস্য উৎপাদন ১৯৭২ সালের ১ দশমিক ১০ কোটি মেট্রিক টন থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সে দানাদার ফসলের উৎপাদন বেড়ে প্রায় ৪১৩.২৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। কৃষিতে অভাবনীয় সফলতা এনে তিনি বিশ্ব দরবারে রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমরা সবাই বদ্ধপরিকর। দরকার আমাদের সমন্বিত, আন্তরিক এবং কার্যকর পদক্ষেপ। বঙ্গবন্ধু একটি নতুন মানচিত্র চেয়েছিলেন, নতুন ভূ-খ- চেয়েছিলেন, নতুন জাতিসত্তা চেয়েছিলেন, চেয়েছিলেন একটি স্বনির্ভর-সুখী মানুষের সোনার দেশ। সুতরাং আমরাও একান্তভাবে বিশ্বাস করি আমাদের উন্নয়নের কর্মসূচি পরিকল্পনা গ্রহণ করার আগে সুষ্ঠু সমন্বিত বাস্তব অবস্থাভিত্তিক কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। সর্বোচ্চ শ্রম, মেধা, শ্রম বিনিয়োগ করে এগিয়ে গেলে আমরা নিশ্চিত সফল হবই। সবার সম্মিলিত আন্তরিক এবং কার্যকরী প্রচেষ্টা আমাদের নিয়ে যাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সর্বোচ্চ সীমায়। বঙ্গবন্ধুর প্রণীত পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে সবুজায়িত হবে সারা বাংলা, সুখে থাকবে বাংলার মানুষ। অদূর ভবিষ্যতে আমরা বিনির্মাণ করতে পারব স্বনির্ভর সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।

 

ড. মো. কবির ইকরামুল হক

নির্বাহী চেয়ারম্যান, বিএআরসি, ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন : ৯১৩৫৫৮৭, ই-মেইল : ec-barc@barc.gov.bd


Share with :

Facebook Facebook